1. live@www.somoyerpoth.com : সময়ের পথ : সময়ের পথ
  2. info@www.somoyerpoth.com : সময়ের পথ :
শনিবার, ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৫:১৫ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
বান্দরবানে গভীর রাতে ব্রিজের নিচে ইয়াবাসহ ৪ জনের কারাদণ্ড গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন। মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে লামায় পুলিশের উদ্যোগে মাদকবিরোধী র‍্যালি ও পথসভা অনুষ্ঠিত ৬৫ টাকা প্রতি প্যাকেট নিম্নস্তরের সিগারেট দাম জানা গেল সরকারি নতুন পে স্কেলের গেজেট সম্ভব্য তারিখ। বান্দরবানে ইয়াবাসহ প্রাইভেটকার জব্দ, চালক আটক রামগ‌ড়ে এসএস‌সি উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী‌দের সংবর্ধনা দি‌য়ে‌ছে ছাত্রদল ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কৃতী সন্তান লে. কর্নেল মোস্তাফিজুর রহমান র‍্যাব-৭-এর নতুন অধিনায়ক অবশেষে র‍্যাবের হাতে আটক হয়েছে শিক্ষিকা হ**ত্যা**র ঘটনায় জড়িত দুই ছি*ন*তাইকারী অটোরিকশা ও অবৈধ শ্লীপার বাস বন্ধে ও অটোরিকশা চলাচলে হবে পৃথক নীতিমালা

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

সময়ের পথ
  • প্রকাশিত: শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
  • ৫৩ বার পড়া হয়েছে




আন্তর্জাতিক ড্রেস্ক নিউজ সময়ের পথ 

গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনে বাংলায় ভাষণ প্রদান করেন।

বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬) মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সদর দপ্তরের General Assembly Hall-এ ভাষণের শুরুতেই মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশের সকল শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং স্বাধীনতার পর থেকে গণতন্ত্র, ন্যায়বিচার ও মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে যারা আত্মত্যাগ করেছেন তাদের অবদানকে বিনম্রচিত্তে স্মরণ করেন। ফ্যাসিবাদের বিরুদ্ধে ২০২৪ সালের জুলাই-আগষ্টে বীর ছাত্র জনতার গণঅভুত্থানে সকল শহীদ ও আহতদের প্রতিও তিনি অকৃত্রিম শ্রদ্ধা জানান।

জাতিসংঘের বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়ে জনাব তারেক রহমান বলেন, এই বিশ্বমঞ্চে দাঁড়িয়েই আমার পিতা বাংলাদেশের স্বাধীনতার ঘোষক শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান এবং আমার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী মরহুমা খালেদা জিয়া দেশ ও জনগণের পক্ষে ভাষণ দিয়েছিলেন। একইভাবে আজ আমিও আমার দেশ ও জনগণের স্বার্থের পক্ষে এবং একটি শান্তিময় বিশ্ব সমাজের প্রত্যাশায় এখানে দাঁড়িয়েছি।

ভাষণে তিনি বিশ্বশান্তি, বহুপাক্ষিকতা, রোহিঙ্গা সংকটের টেকসই সমাধান, জলবায়ু ন্যায়বিচার ও অর্থায়ন, বাংলাদেশের উন্নয়ন ও গণতান্ত্রিক অগ্রযাত্রা, নারীর ক্ষমতায়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, প্রযুক্তি এবং তরুণদের সম্ভাবনাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বাংলাদেশের অবস্থান ও অগ্রাধিকার তুলে ধরেন।

বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে চলমান সংঘাতের প্রভাব, বাস্তুচ্যুতি, মানবিক সংকট, জ্বালানি নিরাপত্তা-সংকট, বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন এবং ক্রমবর্ধমান মুদ্রাস্ফীতির কারণে বিশ্ব অর্থনীতির ওপর সৃষ্ট চাপের কথা তুলে ধরে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যেকোনো সংঘাতের সমাধান আলোচনা, কূটনৈতিক প্রক্রিয়া ও পারস্পরিক সহযোগিতার মাধ্যমেই হওয়া উচিত।

তিনি বলেন, বিবদমান রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে সমতা, ন্যায্যতা, পারস্পরিক স্বার্থরক্ষা এবং সম্মান ও মর্যাদা রক্ষাই দ্বিপাক্ষিক কিংবা বহুপাক্ষিক সম্পর্কের ভিত্তি হওয়া উচিত। বাংলাদেশ এমন একটি শান্তিময় ও মানবিক বিশ্বসমাজ প্রত্যাশা করে, যেখানে মারণাস্ত্র নয়, বরং যুক্তি-তর্ক, কূটনীতি, শিক্ষা ও মানবতা পরিবর্তনের হাতিয়ার হয়ে উঠবে। একে অপরের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি শ্রদ্ধাশীল একটি সমঝোতামূলক বিশ্বসমাজ প্রতিষ্ঠার কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে বাংলাদেশ জাতিসংঘকে দেখতে চায়।

বিশ্বের বিভিন্ন দেশে উন্নয়ন খাতের বাজেট সামরিক খাতে সরিয়ে নেওয়ার প্রবণতাকে বিশ্বশান্তির অন্তরায় উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, শান্তিপ্রিয় জাতি হিসেবে বাংলাদেশ পূর্ণাঙ্গ ও সাধারণ নিরস্ত্রীকরণ, পারমাণবিক অস্ত্রের বিস্তার রোধ এবং অস্ত্র নিয়ন্ত্রণের লক্ষ্যের প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বিশ্ব মানবতা ও বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের যেকোনো উদ্যোগের পক্ষে বাংলাদেশের সমর্থন তিনি পুনর্ব্যক্ত করেন।

স্বাধীনতাকামী ফিলিস্তিনি জনগণের দুর্দশা নিয়ে বাংলাদেশের গণতন্ত্রকামী জনগণের উদ্বেগের কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আত্মনিয়ন্ত্রণাধিকার এবং একটি স্বাধীন ফিলিস্তিন রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার অধিকারসহ তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি বাংলাদেশ পুনরায় তার অবিচল সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে।

‘সবার আগে বাংলাদেশ : সবার জন্য বাংলাদেশ’-এই প্রত্যয়ের কথা তুলে ধরে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বলেন, আমরা এমন একটি বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই, যেখানে তরুণরা নির্ভয়ে, নির্বিঘ্নে তাদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের পথ খুঁজে পাবে, নারীরা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে জীবন পরিচালনা করতে পারবে, প্রতিটি শিশু তাদের সকল সম্ভাবনা বিকাশের সুযোগ নিয়ে বেড়ে উঠবে, সর্বোপরি জনগণ পাবে নিরাপদ এবং শান্তিপূর্ণ জীবনের নিশ্চয়তা।

বিশ্বশান্তি প্রতিষ্ঠায় জাতিসংঘের সকল নীতি ও মূল্যবোধের প্রতি বাংলাদেশের অকুণ্ঠ সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করে তিনি বক্তব্য শেষ করেন।

 

সংবাদটি শেয়ার করুন

আরো সংবাদ পড়ুন

পুরাতন সংবাদ পড়ুন

সোম মঙ্গল বুধ বৃহ শুক্র শনি রবি
 ১২৩৪৫৬
৭৮৯১০১১১২১৩
১৪১৫১৬১৭১৮১৯২০
২১২২২৩২৪২৫২৬২৭
২৮২৯৩০  
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ওয়েবসাইট ডিজাইন: ইয়োলো হোস্ট