1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৪:৫৯ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নড়াইলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৬৪ হাজার ৭৪৮টি পশু নড়াইলে অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জুতার মালা পরানোর ঘটনার প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন থানায় অভিযোগ দায়ের- নড়াগাতীতে কিশোরকে মারপিটের অভিযোগে মানববন্ধন! ঈদ উপলক্ষে আলাউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাপল্লী পার্কে সংযোজন হতে যাচ্ছে দুটি রাইডার নতুন এমপিও তালিকা ২০২২ ফাইতং উচ্চ বিদ্যালয় নাম প্রকাশিত নড়াইলে দলিল লেখক খোকন চন্দ্র রায়কে ছুুরিকাঘাত কুমিল্লায় আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে নড়াইলের কালিয়ার কয়েকটি বাজারে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ ইদ্রিসের চাঁদাবাজির দৌরাত্ত্বে পরিবহন সেক্টর অসহায় র‍্যাবের অভিযানে সন্ত্রাসী সম্রাট ও মাদক ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার

মোছন’আউলিয়া’র ৭শ’বছরের ঐতিহ্য বার্ষিক ওরশ শরীফ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: সোমবার, ২০ জুন, ২০২২
  • ২০ বার পড়া হয়েছে

মোছন’আউলিয়া’র ৭শ’বছরের ঐতিহ্য বার্ষিক ওরশ শরীফ
মোহাম্মদ মাসুদ চট্টগ্রাম প্রতিনিধ।

শাহ্ সূফি মোহছেন আউলিয়ার মাজার এর বার্ষিক ওরশ’ চট্টগ্রামের আনোয়ারায় দুদিনব্যাপী ওরশ মোবারক মহাসমারোহে অনুষ্ঠিত আজ দরবার প্রাঙ্গণে। ভক্তদের কাছে তিনি মোহছেন আউলিয়া (রহ.)বা ‘মোছন’আউলিয়া নামে অধিক পরিচিত।

আজ সোমবার (২০জুন)২২ইং,৬ আষাঢ় দরগাহ প্রাঙ্গনে মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হচ্ছে।এতে ভক্ত সমাগমদের প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও ওরশ সফল করার আহ্বান জানান দরগাহ পারিচালনা কমিটি।

প্রতি বছর বার্ষিক ওরশ’কে ঘিরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বটতলী ইউনিয়নের বরুমহাট দরগাহ প্রাঙ্গণে ভক্তরা কোরআনখানি,মিলাদ মাহফিল ও তবারক বিতরণের মধ্য দিয়ে ওরশের নানান কর্মসূচি পালন করে। ওরশে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে লাখ লাখ ভক্তগণ দরবারে সমসগম ঘটে।

জানা যায়,হযরত মুহাম্মদ (সাঃ) কর্তৃক ইসলাম ধর্ম প্রচারিত এবং প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর সাহাবী,পীর,আউলিয়া,ফকির, দরবেশগণ সারা পৃথিবীতে ইসলাম প্রচার এবং প্রতিষ্ঠিত করেন।

সুদূর আরব থেকে চট্টগ্রামে আগত পীর আউলিয়া, ফকির, দরবেশগণের মধ্যে মহান বুজুর্গ অলী হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া অন্যতম। হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) ৮৮৬ হিজরী ৭২ বাংলা ১৪৬৬ সনে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি কখন বাংলাদেশে আগমন করেন তার ইতিবৃত্ত জানা যায়নি।তবে,তিনি প্রখ্যাত পীর হযরত বদর শাহ (রহঃ) সাথে চট্টগ্রামে আগমন করেছিলেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে। হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়ার (রহঃ) আদি নিবাস ইয়েমেনে। তাঁর পূর্ব পুরুষের পরিচয় জানা না গেলেও বিভিন্ন ইসলামী চিন্তাবিদদের মতে তিনি একজন সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারের সন্তান ছিলেন। ইসলামী শিক্ষায় শিক্ষিত হয়ে তিনি ইসলাম প্রচারে নেমে যান। তিনি ইয়েমেন থেকে প্রথমে ভারতে গৌড় রাজ্যে আগমন করেন। গৌড়রাজ্য তখন শিক্ষা, শিল্প সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দু ছিল। গৌড়রাজ্যে কিছুদিন অবস্থান করার পর হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া পানি পথে চট্টগ্রামে আগমন করেন।

কথিত আছে তিনি তাঁর ব্যবহৃত পাথরকে কিস্তি বানিয়ে পানি পথে চট্টগ্রামে আগমন করেন। তিনি চট্টগ্রামে এসে কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত দেয়াং এর পাহাড়ে আস্তানা গাড়েন। দেয়াং এর পাহাড়ে অবস্থান করে তিনি চট্টগ্রামের বিভিন্ন অঞ্চলে ইসলাম ধর্ম প্রচার করতে থাকেন। তাঁর অলৌকিক ক্ষমতা এবং মোহনীয় শক্তি সবাইকে মোহিত করত।তার অলৌকিক ঘটনা সম্পর্কে লোকমুখে জানা যায়, কোন একদিন নিঝুম নির্জন গ্রামের মাঠে এক বোবা ছেলে গরু, ছাগল দেখা শোনা করছিল। মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) ঐ ছেলেকে ডাকলেন তার সাথে কথা বলতে গিয়ে জানতে পারে ছেলেটি বোবা। এ অবস্থায় তিনি বোবা ছেলের মুখে তার পবিত্র হাত মোবারক রাখলেন তখন সাথে সাথে ছেলেটি কথা বলতে আরম্ভ করল।তিনি ছেলেটিকে বলল যাও, তোমার পিতা-মাতাকে ডেকে নিয়ে আস। সে তার বাড়িতে গিয়ে কথা বলতে পারলে আশ্চার্য হয়ে মাতা-পিতা ও পাড়া প্রতিবেশীরা সবাই বাবাজান কেবলার কাছে এসে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করলেন এবং তাকে থাকার ব্যবস্হা করে দেন। হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) অলৌকিক পরিচয় পাওয়ার পর সে সময় দলে দলে মানুষ এসে তাঁর কাছে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করতে থাকে। তিনি চট্টগ্রামে ইসলাম ধর্ম প্রচার করেন। অল্প সময়ের মাঝে তাঁর অসংখ্য ভক্ত এবং মুরীদ সৃষ্টি হয়। দীর্ঘ সময় চট্টগ্রাম অবস্থান করে ইসলাম ধর্ম প্রচার করে ৯৮৫ হিজরী ৯৭১ বাংলা ৬ আষাঢ় ১৫৬৫ সনে তিনি ইন্তেকাল করেন। তাঁর ইন্তেকালের পর তাঁকে দক্ষিণ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার ঝিউরী গ্রামে সমাধিস্থ করা হয়। তাঁর কবর শরীফ শঙ্খ নদীর তীরে অবস্থিত হওয়ায় কবর শরীফ নদীর ভাঙ্গঁনের কবলে পড়লে হযরত মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) বড় উঠানের একজন বিশিষ্ঠ জমিদারকে স্বপ্ন যোগে জানান যে, তাঁর কবর শরীফ বটতলীতে স্থানান্তরিত করা হোক। কিন্তু সেই বিশিষ্ঠ ব্যক্তি স্বপ্নের ব্যাপারটি গুরুত্ব দেয়নি।ফলে তার জমিদারি বিলুপ্ত হয় বলে শোনা যায়।

পরবর্তী পর্যায়ে বটতলীর অপর তিন ব্যক্তিকে তিনি স্বপ্নযোগে জানান,ঝিওরী গ্রামের শঙ্খ নদীর পাড়ে আমার কবর ভাঙ্গা অবস্থায় আছে,তার পার্শ্বে একটি পাথরও আছে। তোমরা আমার কফিন ও পাথরখানা নিয়ে বটতলী গ্রামের যেখানে সুবিশাল একটি বটগাছ এবং উলুবন সমৃদ্ধ জায়গা আছে সে স্থানে দাফন কর।ঐ তিন ব্যক্তি স্বপ্নের বিষয়টি বেশ গুরুত্ব দেন এবং স্বপ্নের আদেশ অনুযায়ী তারা এ ব্যাপারে উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তারা নদীর তীরে গিয়ে দেখতে পান পাথরের ওপর একটি লাশ ভেসে আছে। তারা ঐ লাশ বটতলীতে এনে যথাযোগ্য মর্যাদার সাথে দাফন করে। যেখানে তাঁর লাশ দাফন করা হয় সেখানে এখন তাঁর পবিত্র মাজার শরীফ গড়ে উঠেছে। তিনি যে পাথর খন্ড করে ভেসে এসেছিলেন তা এখনও পর্যন্ত তাঁর পবিত্র মাজার শরীফে সংরক্ষিত আছে। এই পাথরটিকে অলৌকিক পাথর বলা হয়। বর্তমানে তার মাজার শরীফ চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার বটতলী গ্রামে অবস্থিত।

রোগ মুক্তি ও বড় বড় সমস্যা থেকে রক্ষা পাওয়ার লক্ষ্যে পাথরের পানি পান করেন বক্তরা।প্রতিবছর বাংলা ৬ আষাঢ় বটতলীস্থ দরগাহ প্রাঙ্গনে মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হয়।।ওরশে লক্ষ লক্ষ আশেক-ভক্তদের সমাগম ঘটে।মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) চট্টগ্রামের জমিনকে ইসলামের আলোকে আলোকিত করেন।বর্তমানে তাঁর নামে আনোয়ারা উপজেলার বটতলী গ্রামে স্কুল,কলেজ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠিত হয়।

মোহছেন আউলিয়ার মাজারঃ ইয়েমেনে জন্ম নেওয়া বাংলার সুফি মতবাদের অন্যতম প্রবর্তক হযরত শাহ্ মোহছেন আউলিয়া (র.) সুদূর আরব থেকে সমুদ্রপথে চট্টগ্রামে আসেন প্রায় ৭০০ বছর আগে।

তাঁর প্রকৃত নাম শাহ্‌ মছনদ যাহা সুলতানি ও মোঘল আমলের শিলালিপি এবং চট্টগ্রামে প্রাপ্ত সূফী ও পীরদের তালিকার প্রাচীন আরবি পাণ্ডুলিপিও লাখেরাজ সম্পত্তি তদন্ত বিষয়ক কোর্ট প্রসিডিং এ প্রমাণিত। প্রাচীন লেখকগণ তাকে হযরত শাহ মোছন আউলিয়া বলেন। বর্তমানে অনেকে তাকে মোহছেন বা মুহসিন আউলিয়া বলে থাকেন।

তবে,তিনি কীভাবে বাংলাদেশে এসেছেন তা জানা না গেলেও;আরেক সুফি হজরত বদর শাহ (রহ.)-এর সঙ্গে পানিপথেই চট্টগ্রাম আসেন বলে জনশ্রুতি রয়েছে।

চট্টগ্রামে প্রাপ্ত আরবি ভাষায় লিখিত পীর ও সুফী সম্পর্কিত বিভিন্ন পান্ডুলিপিতে শাহ বদরে আলমের সাথে শাহ মোহছেন আউলিয়া নাম উল্লেখ রয়েছে।

কথিত আছে, তিনি পাথরকে নৌকা বানিয়ে পানিপথে ভারত থেকে চট্টগ্রাম আসেন। বন্দরনগরীতে এসে কর্ণফুলী নদীর পূর্ব তীরে অবস্থিত দেয়াং পাহাড়ে আস্তানা গড়েন। পরবর্তীতে সেখানেই তার মাজার প্রতিষ্ঠিত হয়।

জনশ্রুতি আছে, চট্টগ্রাম শহরের প্রবর্তক বদর আউলিয়া (রহ.) তার মামা। নগরের চেরাগী পাহাড়ে শুয়ে আছেন সেই ধর্ম প্রচারক।

সুফি সাধক মোহছেন আউলিয়া দীর্ঘদিন ধরে এবাদত রেয়াজতে মগ্ন অবস্থায় ৯৮৫ হিজরি ৯৭১ বাংলা ৬ আষাঢ় ১৫৬৫ সনে মৃত্যুবরণ করেন।

মোহছেন আউলিয়ার মাজার এর ইতিহাস
চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলার দেয়াং পাহাড় ঘেরা বটতলী ইউনিয়নের রুস্তমহাট এলাকায় হযরত শাহ্ মোহছেন আউলিয়ার মাজার।

জনশ্রুতি অনুযায়ী, ৮২৫-৮৭০ হিজরির কোনো এক সময়ে ইসলাম ধর্ম প্রচার ও প্রসারের জন্য হযরত শাহ্ মোহছেন আউলিয়া (রহ.) বার আউলিয়ার পূণ্যভূমি চট্টগ্রামে আগমন করেন।

পরে আনোয়ারা উপজেলার ঝিওরি গ্রামে অবস্থান নেন। তৎকালীন শঙ্খ নদীর উপকূলে হুজুরা শরীফ নামে একটি আধ্যাত্মিক সাধনালয় গড়ে তোলেন।

এ হুজুরা শরীফকে কেন্দ্র করে এককালে শঙ্খ নদীর উপকূলে ঝিওরি গ্রাম গড়ে উঠেছিল।

মসরুর জুনাইদ-এর ব্লগে আরও পড়ুন- বায়েজিদ বোস্তামীর মাজার:‘বোস্তামীর কচ্ছপ’ পৃথিবীতে বিলুপ্তপ্রায় ও দুর্লভ প্রাণী কদম মোবারক মসজিদ: ইতিহাস ও ঐতিহ্যের নিদর্শন অলি খাঁ মসজিদ: মোঘল স্থাপত্যকলার অনন্য নিদর্শন তবে মাজার পরিচালনা কমিটি সূত্রে জানা যায়, হযরত শাহ মোহছেন আউলিয়া (রহ.) কখন এবং কিভাবে বাংলাদেশে আগমন করেন তার ইতিবৃত্ত জানা যায়নি।

ড. মুহাম্মদ এনামুল হকের ‘পূর্ব পাকিস্তানে ইসলাম’ নামক গ্রন্থে হযরত শাহ্ মোহছেন আউলিয়ার (রহ.) ওফাতকাল ১৩৯৭ খ্রিস্টাব্দ বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

ঝিওরি গ্রামে প্রথম তাকে সমাধিস্থ করা হয় এবং সেখানেই মাজার গড়ে ওঠে। কিন্তু পরে শঙ্খ নদীর ভাঙনের কবলে পড়লে সেই সমাধি স্থানান্তর করা হয় আনোয়ারার বটতলীতে। এটা শাহ্ মোহছেন আউলিয়ার (রহ.)দ্বিতীয় মাজার।

মোহছেন আউলিয়ার মাজার পাকা ঘর হলেও উপরের অংশটুকু ছনের ছাউনি। ছাউনি বদলানোর সময় কর্মরত লোকদের শরীরে যতবার ঘাম বেরুবে ততবার কাজ বন্ধ রেখে তাদের গোসল করে আবার কাজ শুরু করতে হয়।

উল্লেখ্য, বটতলীস্থ শাহ্ মোহছেন আউলিয়ার (রহ.) মাজারে একখানি কালো পাথরের শিলালিপি সযত্নে রক্ষিত আছে। লিপিখানিটি আরবিতে লেখা।

উল্লেখ্য, প্রতিবছর ২০ জুন ৬ আষাঢ় মোহছেন আউলিয়ার বার্ষিক ওরশ অনুষ্ঠিত হয়ে থাকে।
ওরশ স্থগিতের সংবাদ সম্মেলনে জানান হয়, প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও ২০ জুন বাবাজানের ওরশ শরীফ অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা।
প্রতিবছর ওরশ শরীফে লাখ লাখ লোক সমবেত হয়ে থাকেন।

ওরশ’কে ঘিরে রাতব্যাপী বটতলী রুস্তমহাট ও আশপাশ এলাকায় ভক্তরা কবিগান, জারিগান ও ধর্মীয় গানের আসরের আয়োজন ছাড়াও পুরো এলাকায় মেলা বসত।

লোকবিশ্বাস ইতিহাস মোহছেন আউলিয়া (রহঃ) সম্পর্কে যত কিংবদন্তি আছে সবই সমুদ্র সম্পর্কিত। এছাড়া, চট্টগ্রামের প্রতিটি মাজারকে কেন্দ্র করে বেশ কিছু লোকবিশ্বাস রয়েছে।

যে মাজার যত বেশি প্রাচীন,সেগুলো সম্পর্কে লোককথাও বেশ বিস্তৃত। লোককথা ইতিহাসের ভিত্তি হতে পারে না।এই আউলিয়া কখন এবং কিভাবে বাংলাদেশে আগমন করেন তার ইতিবৃত্ত জানা যায়নি।

কারণ ইতিহাস ধারণার ওপর নয় বরং সঠিক ঘটনার ওপরে নির্ভর করে। তবে এটা সত্য যে,লোককথার সূত্র ধরে অনেক সময় সঠিক ইতিহাস পাওয়া যায়।প্রায় ৭ শত বছরের পর প্রথমবারের মত (২০২০ সালে) স্থগিত হয়েছে। শত বছরের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো এবার ঐতিহ্যবাহী এ কুস্তি প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়নি।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট