1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৫:১১ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নড়াইলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৬৪ হাজার ৭৪৮টি পশু নড়াইলে অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জুতার মালা পরানোর ঘটনার প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন থানায় অভিযোগ দায়ের- নড়াগাতীতে কিশোরকে মারপিটের অভিযোগে মানববন্ধন! ঈদ উপলক্ষে আলাউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাপল্লী পার্কে সংযোজন হতে যাচ্ছে দুটি রাইডার নতুন এমপিও তালিকা ২০২২ ফাইতং উচ্চ বিদ্যালয় নাম প্রকাশিত নড়াইলে দলিল লেখক খোকন চন্দ্র রায়কে ছুুরিকাঘাত কুমিল্লায় আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে নড়াইলের কালিয়ার কয়েকটি বাজারে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ ইদ্রিসের চাঁদাবাজির দৌরাত্ত্বে পরিবহন সেক্টর অসহায় র‍্যাবের অভিযানে সন্ত্রাসী সম্রাট ও মাদক ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার

কুড়িগ্রামে পটল চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়ছে

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১১ জুন, ২০২২
  • ২৭ বার পড়া হয়েছে

কুড়িগ্রামে পটল চাষিরা ক্ষতির মুখে পড়ছে
রুহুল আমিন রুকু, কুড়িগ্রাম জেলা প্রতিনিধিঃ
কুড়িগ্রামে ধরলা নদীর বিস্তীর্ণ চর সমুহে পটলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে এতে কৃষকরা ক্ষতির মুখে পড়েছে। ধরলা ও ব্রহ্মপুত্র নদের বুক জুরে সবজি জাতীয় এ ফসলের ক্ষেত বর্তমানে বৈরী আবহাওয়ার প্রভাব এর কারণে হাজার হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে বলে কৃষকরা জানিয়েছেন। সরেজমিনে ১১ মে শনিবার বিকেলে ঘুরে দেখা গেছে, কুড়িগ্রাম সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের চরসিতাইঝাড় (নয়ারহাট), চরকৃষ্ণপুর, পাঁচগাছী ইউনিয়নের কদমতলা, উলিপুর উপজেলার বেগমগঞ্জ ইউনিয়নের সরকার পাড়া, মাস্টার পাড়া, আকেল মামুদ, বালাডোবা ও সাহেবের আলগা ইউনিয়নের বিভিন্ন চর সমুহে পটল ক্ষেত আবাদে কৃষকরা ইতিপূর্বে লাভবান হলেও কয়েকদিন প্রচন্ড তাপদাহ ও ঘনঘন বৃষ্টি হওয়ায় কৃষকের স্বপ্ন ভেস্তে গেছে।
এক মাস পূর্বে স্থানীয় মোগলবাসা ফেরিঘাট সংলগ্ন জসিমুদ্দিন মোড়ে প্রতিদিন দেড়’শ থেকে দুই’শ মণ পটল আমদানি ও রফতানি হত। প্রতি মণে বাজার মূল্য ছিল ১হাজার থেকে ১২শত টাকা পর্যন্ত। বর্তমানে বৈরী আবহাওয়ার কারণে পটল খেতে নানা ধরনের রোগ দেখা দেওয়ায় পটল ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। স্থানীয় সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়ন ও পাঁচগাছী ইউনিয়নের চর কৃষ্ণপুরও কদমতলা গ্রামের পটলচাষী সমশের আলী, মহুবর আলী, মমতাজ আলী, বাবুল মিয়া, আফজাল মিয়া, হাসান মিয়া, বাবর মিয়া, শাহ আলম, ইন্তাজ আলী আমির আলী, বক্কর আলী, অমূল্য মিয়া আরিফুল মিয়া, আজিত মিয়া, আবুল মিয়া, মাইদুল ও হযরত আলী সহ কয়েকজন জানান, কিছুদিন পূর্বে প্রতিদিন তাদের ক্ষেত থেকে ৩ থেকে ৪ মণ করে পটল উত্তোলন করে বাজার জাত করত। কম খরচে বাড়তি আয় করায় পারিবারিক ভাবে কিছুটা স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিল। বর্তমান পটল খেতে নানা রোগ দেখা দেওয়ায় এবং নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পটল খেতে পানি উঠায় বর্তমান এক মন থেকে দেড় মণ পর্যন্ত পটল উত্তোলন করে বাজারজাত করা হচ্ছে। মনপ্রতি মূল্য ৩ শত থেকে ৪শত টাকা পর্যন্ত পাইকেরী ভাবে বিক্রি হচ্ছে।
সদর উপজেলার মোগলবাসা ইউনিয়নের জসীমউদ্দীন মোড়ে পটল আরতে বর্তমান ৫০ থেকে ৬০ মণ পর্যন্ত পটল আমদানি-রপ্তানি হচ্ছে যা আগের তুলনায় একেবারে কমে গেছে। তারা আরো জানান ইউনিয়নের দায়িত্বরত কৃষি উপসহকারি কর্মকর্তাদের মাঠ পর্যায়ে কোন খোঁজ খবর বা পরামর্শ পাওয়া যায় না।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট