1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
বৃহস্পতিবার, ০৭ জুলাই ২০২২, ০৪:৩২ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
নড়াইলে কোরবানির জন্য প্রস্তুত ৬৪ হাজার ৭৪৮টি পশু নড়াইলে অধ্যক্ষ স্বপন কুমার বিশ্বাসকে জুতার মালা পরানোর ঘটনার প্রতিবাদে বিশাল মানববন্ধন থানায় অভিযোগ দায়ের- নড়াগাতীতে কিশোরকে মারপিটের অভিযোগে মানববন্ধন! ঈদ উপলক্ষে আলাউদ্দিন আহমেদ শিক্ষাপল্লী পার্কে সংযোজন হতে যাচ্ছে দুটি রাইডার নতুন এমপিও তালিকা ২০২২ ফাইতং উচ্চ বিদ্যালয় নাম প্রকাশিত নড়াইলে দলিল লেখক খোকন চন্দ্র রায়কে ছুুরিকাঘাত কুমিল্লায় আনসার ভিডিপি কার্যালয়ের বৃক্ষরোপণ অভিযান অনুষ্ঠিত হয়েছে নড়াইলের কালিয়ার কয়েকটি বাজারে সরকারি জমিতে গড়ে ওঠেছে অসংখ্য অবৈধ স্থাপনা। কুষ্টিয়া হাইওয়ে পুলিশের ইনচার্জ ইদ্রিসের চাঁদাবাজির দৌরাত্ত্বে পরিবহন সেক্টর অসহায় র‍্যাবের অভিযানে সন্ত্রাসী সম্রাট ও মাদক ও অস্ত্রসহ গ্রেফতার

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থের শতভাগ সেবা নিশ্চিত।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ৮ জুন, ২০২২
  • ২২ বার পড়া হয়েছে

অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থের শতভাগ সেবা নিশ্চিত।
মোহাম্মদ মাসুদ চট্টগ্রাম প্রতিনিধি

সীতাকুণ্ডে শীতলপুরে অগ্নিকান্ডে ক্ষতিগ্রস্থের শতভাগ সেবা নিশ্চিত।সবরকমের চিকিৎসা সেবাসহ যাবতীয় সহায়তা এককভাবে প্রদানের জোর দাবি বিএম ডিপো কর্তৃপক্ষের। সেইসাথে সর্বোচ্চ চিকিৎসা সেবায় হতাহতদের পাশে সহায়তায় তদারকিতে দেখাশোনা করছেন,খোঁজখবর নিচ্ছেন প্রধানমন্ত্রী,স্বাস্থ্যমন্ত্রী,অন্যান্য দপ্তরের প্রধানসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সক্রিয় উপস্থিতি উল্লেখ্য।

শনিবার রাতে বিএম কন্টেইনার ডিপোর পরিচালক মুজিবুর রহমান স্বাক্ষরিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “কী কারণে আগুন লেগেছে তা এখনও নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে কন্টেইনার থেকে আগুন লেগেছে বলে ধারণা করছি। মানবিক দৃষ্টিকোণ থেকে হতাহতদের পাশে আমরা থাকব। “চিকিৎসার সব ব্যয় আমরা বহন করব। আহতদের সব রকম চিকিৎসা দেওয়া হবে।”

হতাহতদের ‘সর্বোচ্চ ক্ষতিপূরণ’ দেওয়া হবে বলেও দাবি করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এতে বরা হয়,পাশাপাশি সব হতাহতদের পরিবারের দায়িত্ব নেওয়া হবে। এছাড়া প্রশাসন যে সিদ্ধান্ত নিবে সেভাবেই সব করা হবে।এর আগে কন্টেইনার ডিপো কর্তৃপক্ষ পৃথক তদন্ত কমিটি গঠন করে। এবং সেইসাথে দুর্ঘটনায় যারা নিহত হয়েছেন তাদের প্রত্যেকের পরিবারকে নগদ সহায়তা পাশাপাশি রোগি ও তাদের আত্মীয় স্বজনের খাবার দাবারের ব্যবস্থা করা হয়েছে। বিনামূল্যে ঔষদের জন্য চারটি দোকানকে সার্বক্ষণিকভাবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে। আহতদের রক্তদানের জন্য স্বেচ্ছাসেবকদের পাশাপাশি প্রায় ২০০জনকে কোম্পানির পক্ষ থেকে স্বেচ্ছায় রক্তদাতা হিসেবে প্রস্তুত রাখা হয়েছে।ইতোমধ্যে প্রায় ২৮০ জন স্বেচ্ছায় রক্ত দিয়ে রোগিদের জন্য সহযোগিতার হাত বাড়িয়েছেন। সেইসাথে আহতদের সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত সম্পূর্ণ চিকিৎসা সহায়তা দেবার ঘোষণা দেয়া হয় কোম্পানির পক্ষ থেকে।

বিএম কন্টেইনার ডিপো কর্তৃপক্ষ দুর্ঘটনায় নিহতদের পরিবারকে ১০লাখ,যাদের অঙ্গহানী হয়েছে তাদের ৬লাখ,আহতদের ৪লাখ,এবং ফায়ার সার্ভিস কর্মী নিহতদের পরিবারকে ১৫লাখ,যাদের অঙ্গহানী হয়েছে তাদের ১০লাখ,আহতদের ৭লাখ টাকা সহায়তার ঘোষণা দেন বিএম কন্টেইনার ডিপো কর্তৃপক্ষ।
সোমবার(৬জুন) বিএম কন্টেইনার ডিপো কর্তৃপক্ষের পক্ষে কর্তব্যরত (জিএম) এডমিন চিটাগং ডেমিন মিলস লিঃ মেজর শামসুল হায়দার সিদ্দিকী ক্ষতিগ্রস্তের সহয়তায় এসব কথা বলেন।এ-সময় আরো উপস্থিত ছিলেন এক্সিকিউটিভ ডাইরেক্টর খোরশেদ আলম।

দুর্ঘটনার পর থেকে ২০টি এ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে আহতদেরকে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য ভর্তি করা হয়েছে কোম্পানির পক্ষ থেকে বলেন। বিএম কন্টেইনার ডিপো মালিক পক্ষ বিবৃতিতে আরো বলেন, এই দুর্ঘটনার ব্যাপারে কর্তৃপক্ষ ৫সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করছে।

বিভিন্ন হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়,আহত ব্যক্তিরা চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ,সিএমএইচসহ বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে।(চমেক) হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল শামীম আহসান বলেন,আমরা চিকিৎসায়য় আহতদের সর্বোচ্চ সক্রিয়তায় চিকিৎসা দিচ্ছি।চিকিৎসা সংক্রান্তে সর্বোচ্চ সবরকমের যথাযথ সু-ব্যবস্থার কোন ক্রুটি নাই। ডাক্তার নার্স সবই পর্যাপ্ত পরিমাণে আছে।তবে চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারীর কিছুটা সংকট থাকলেও সেবাদানে কোন বাঁধা বিঘ্ন ব্যাহত হচ্ছে না। তিনি বলেন বর্তমানে যত রোগী চিকিৎসাধীন অবস্থায় আছে তার চেয়েও ৫গুনবেশী রোগীর চিকিৎসা দেওয়া মত সবরকমে ঔষধ সরঞ্জামসহ মজুদ আছে।

রাজধানী ঢাকায় শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ১৪ জন ও ঢাকা মেডিকেলে একজন রোগীর নিবির চিকিৎসা পরিচর্যাসহ চট্টগ্রামের আলাদা একটি বার্ন ইনস্টিটিউট খোলা হয়েছে।
এছাড়াও ৭জনকে হেলিকপ্টারযোগে ঢাকায় পাঠানো হয়েছে একজন সিএমএইস আরেকজন সিভিল সার্জন হাসপাতালে আইসিওতে রয়েছে।এবং স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট উধর্তন কর্মকর্তাসহ সরকারি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের প্রধানসহ সবাই পাশে দাঁড়িয়েছে ও সবরকম সহায়তাও করছে।পরিস্থিতি সামাল দিতে চট্টগ্রামের সর্বস্তরের চিকিৎসক ও নার্সদের ছুটি বাতিল করে কর্মস্থলে যোগ দেওয়া হয়েছে।

এরই মধ্যে নিহতদের পরিবারকে ১লাখ টাকা এবং আহতদের পরিবারকে ৫০হাজার টাকা করে ক্ষতিপূরণ এবং উন্নত চিকিৎসার ব্যয়ভার গ্রহণের ঘোষণা দিয়েছে জেলা প্রশাসন।

রোববার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে,ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে হতাহতদের জন্য মানবিক সহায়তা হিসেবে নগদ ১ কোটি টাকার বরাদ্দ করেছে। অর্থের সাথে ১হাজার মানুষের জন্য শুকনা ও অন্যান্য খাবারের প্যাকেট বরাদ্দ দেয়া হয়েছে।

বিএম কন্টেইনার ডিপোতে অনাকাঙ্খিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ড এবং বিস্ফোরণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির ঘটনায় বিএম কন্টেনার মালিকপক্ষ এক বিবৃতিতে গভীর দুঃখ ও সমবেদনা প্রকাশ করেছেন ।

চট্টগ্রামের সিভিল সার্জন মো.ইলিয়াস চৌধুরী রাতেই
নগরীতে থাকা সব ডাক্তারদের চমেক হাসপাতালে গিয়ে আহতদের সেবায় অংশ নিতে আহ্বান জানান।সিভিল সার্জন জানান, আহতদেন মধ্যে বেশিরভাগই অগ্নিকান্ডের সময় ধোয়া গলা ও শ্বাসনালীতে গিয়ে আহত হয়েছেন। তাদের বাহ্যিক আঘাতের পরিমাণ কম। তবে দগ্ধ ও অন্যভাবে আহতরাও আছেন।

চট্টগ্রাম সিটি মেয়র এম রেজাউল করিম চৌধুরী রাতে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সব চিকিৎসক’কে চমেকে গিয়ে সেবা কাজে যোগ দিতে নির্দেশ দেন।

রাত ৩টা পর্যন্ত নগরীর বিভিন্ন প্রান্ত থেকে ডাক্তার ও নার্সদের হাসপাতালে ছুটে আসতে দেখা যায়।

চমেক হাসপাতালের ছয়টি ওয়ার্ডে আঘাত অনুসারে আহতদের ভর্তি করানো হতে থাকে। রক্ত দিতে শতশত মানুষ ছুটে আসেন। তাদের সামলা দিতে হিমশিম খেতে হয় আনসার,পুলিশ,র‌্যাব অন্যান্য সেচ্চাসেবক সদস্যদের।

র‌্যাব-৭ এর প্রধান ইউসুফ বলেন, “রোগীদের দ্রুত সেবা দিতে আমরা হাসপাতালে শৃঙ্খলা রাখতে ব্যবস্থা করছি। সাধারণ মানুষ যেন অযথা ভিড় না করে মানুষকে সেবা নেয়ার সুযোগ দেয়।”

স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন,মর্মান্তিক অগ্নিকান্ডের কারণে আহত সকল রোগীদের সব ধরনের চিকিৎসা সেবায় সর্বোচ্চ শতভাগ নিশ্চিত করা হয়েছে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী

নিজেও বিষয়টি দেখাশোনা করছেন,খোঁজখবর নিচ্ছেন।
স্বাস্থ্য শিক্ষা বিভাগের সচিব মোঃ সাইফুল হাসান বাদল বলেন,সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা সেবা দেয়া হচ্ছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডাঃ আবুল বাসার মোহাম্ম্দ খুরশীদ আলম,বাংলাদেশ মেডিকেল এসোসিয়েশনের সভাপতি ডা.মোস্তফা জালাল মহিউদ্দিন,বাংলাদেশ আওয়ামী যুব মহিলা লীগের সাধারণ সম্পাদক অপু উকিল স্বাস্থ্যমন্ত্রীর সাথে এসময় উপস্থিত ছিলেন।

আহত রোগীদের চিকিৎসাসেবা সরাসরি পর্যবেক্ষণের জন্য ঢাকা থেকে বিশেষ চিকিৎসক টিম চট্টগ্রামে পাঠানো হয়েছে। আমরা সবখান থেকে সার্বক্ষণিক চিকিৎসার খোঁজখবর নিচ্ছি।

মঙ্গলবার (৭জুন)বিএম কন্টেইনার ডিপোতে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকান্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন আইজিপি জনাব ড.বেনজীর আহমেদ বিপিএম (বার)।
পরবর্তীতে তিনি হতাহতদের দেখতে (চমেক) হাসপাতালে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক,নার্স,
স্বেচ্ছাসেবক, আহতদের আত্মীয়-স্বজন ও পরিবারবর্গের সাথে কথা বলেন,আহতদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন এবং দ্রুত সুস্থতা কামনা করেন। তিনি নিহতদের আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাদের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন। এ-সময় উপস্থিতছিলেন পুলিশ কমিশনার জনাব সালেহ্ মোহাম্মদ তানভীর,চট্টগ্রাম রেঞ্জ ডি.আই.জি জনাব মোঃ আনোয়ার হোসেন সহ পুলিশের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ।

ফায়ার সার্ভিসের বিভাগীয় পরিচালক মো.আনিসুর রহমান উপস্থিত সাংবাদিকদের বলেন,আমরা যতটুকু লোকবল ও সরঞ্জাম আছে তার সব নিয়ে আন্তরিকভাবে চেষ্টা করে যাচ্ছি। কিন্তু মালিক পক্ষের অবহেলা,অসহযোগিতা সঠিক তথ্য না দেওয়া, ক্যামিক্যাল কন্টেইনারের অবস্থানের বিষয়টি না বলায় আজ আমাদের অকালেই ঝরে গেল ৯জন অগ্নিসেনার তাজা প্রাণসহ আরো অনেকেই। অগ্নহানীসহ আহত ৪শ’র বেশি। কিছু না বুঝার আগেই আকষ্মিক রাসায়নিকের বিস্ফোরণ থেকেই আগুন ছড়ানোর কারণেই আগুন পুরোপুরি নিয়ন্ত্রণে আনতে পারিনি। ঘটনার পর থেকেই আগুন নিয়ন্ত্রণ ও উদ্ধারে কাজ শুরু করে ফায়ারসার্ভিস,স্বেচ্ছাসেবী ও স্থানীয় জনগণ।

উল্লেখ্যঃ চট্টগ্রাম নগরী থেকে ২০কিলোমিটার দূরে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের পাশে ২৪ একর জায়গা জুড়ে অবস্থিত বিএম কন্টেইনার ডিপোটির যাত্রা শুরু ২০১১ সালে। ওই ডিপোর ওয়েবসাইটের তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশ ও নেদারল্যান্ডসের যৌথ বিনিয়োগে বেসরকারি এ ইনল্যান্ড কন্টেইনার ডিপোটি (আইসিডি) গড়ে তোলা হয়। এর চেয়ারম্যান নেদারল্যান্ডসের বার্ট প্রঙ্ক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক বাংলাদেশের মোস্তাফিজুর রহমান। এ ডিপোতে পোশাক,খাদ্য প্রক্রিয়াজাত খাতের পণ্যসহ বিভিন্ন ধরনের আমদানি ও রপ্তানি পণ্যের কন্টেইনার জাহাজীকরণ ও পরিবহনের জন্য প্রস্তুত করা হয়।

পরিশেষে যে কথাটি না বললেই নয়,সেবা কার্যক্রমে আরো যোগ দেন বীর চট্টগ্রামবাসী,সাধারণ জনসাধারণ,রেডক্রিসেন্ট সোসাইটি,রাজনৈতিক কর্মীবৃন্দ,সেচ্ছাসেবক,সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ।যাঁরা দিনরাত নির্বিঘ্নে অতুলনীয় সাহসী মানবিক সহায়তা ও অান্তরিকতায় অকৃত্রিম অবদানে মানবিকতার নজির রেখেছেন। যা কিনা ব্যাপক আলোচিত ও প্রশংসিত হয়েছে গণমাধ্যম,প্রিন্ট ও সোসাল মিডিয়াসহ সারা দেশজুড়ে মানবিক হৃদয়ে গভীরে ও সর্বস্তরের মানুষের মুখে মুখে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট