1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
বুধবার, ২৫ মে ২০২২, ০৩:১৬ পূর্বাহ্ন

মাননায়, বিচারক (জেলা জজ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-২, কক্সবাজার। সূত্র

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: বুধবার, ২৩ মার্চ, ২০২২
  • ৩৯ বার পড়া হয়েছে

মাননায়, বিচারক (জেলা জজ) নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল নং-২, কক্সবাজার। ক্রাইম রিপোর্টার

সূত্র ঃ সি.পি মামলা নং ৬১/২০২২ইং বাদীর নাম ও ঠিকানা : জুবাইদা বেগম (২৫), পিতা- মোহাম্মদ বেলাল, স্বামী- শাহাব উদ্দিন সাং- ছাদেকের কাটা, ৮নং ওয়ার্ড, শাপলাপুর ইউপি থানা- মহেশখালী, জেলা- কক্সবাজার। আসামীগনের নাম ও ঠিকানা : ১। লোকমান (৩০), পিতা- সুলতান আহমদ সাং- আশিষ্যা পাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, ছোট মহেশখালী ইউপি থানা- মহেশখালী, জেলা- কক্সবাজার। ২। রশিদ উদ্দিন আহমদ, পিতা- মৃত সুলতান আহমদ সাং- লাইট হাউজ, কক্সবাজার পৌরসভা থানা ও জেলা- কক্সবাজার। ৩। নুর উদ্দীন, পিতা- সোলতান আহমদ সাং- আশিকা পাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, ছোট মহেশখালী ইউপি থানা- মহেশখালী, জেলা- কক্সবাজার।। স্বাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানা : ১। বাদী ২। মোঃ হিরু মিয়া, পিতা- মোকতার আহমদ ৩। অলি বকসু, পিতা- মিয়া হোসেন ৪। মোঃ গিয়াস উদ্দিন, পিতা- মিয়া হোসেন ৫। মোঃ এনাম, পিতা- মৃত আবদু শুক্কুর সর্বসাং- ছাদেকের কাটা, শাপলাপুর ইউপি থানা- মহেশখালী, জেলা- কক্সবাজার। ঘটনার তারিখ ও সময় ঃ ০১/০৩/২০২২ইং রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকা। ঘটনাস্থূল ঃ বাদীনির বসতবাড়ী। ধারা ঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯ (৪) এর (খ)/৩০ তৎসহ দঃ বিঃ ৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৫০৬(২) দঃ বিঃ সবিনয় নিবেদন এই যে, অধীন বাদীনি একজন অতিশয় দরিদ্র, অসহায় ও নির্যাতিতা মহিলা হই। পক্ষান্তরে আসামীগন দুর্দান্ত লম্পট, ধর্ষক, নারীলোভী, সহযোগী, সন্ত্রাসী, মাস্তান এবং আইন অমান্যকারী প্রকৃতির লোক হয়। তাহারা দেশের প্রচলিত আইন কানুন কিছুই মানে না। অধীনের স্বামী পেশায় একজন পান ব্যবসায়ী হন। তিনি ব্যবসা উপলক্ষে প্রায় সময় বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করেন। ১নং আসামী অধীনের পার্শ্ববর্তী

বিচারক (জেলা জজ) নারী ও শিশু নির্যাতন বাদীর নাম ও ঠিকানা – জুবাইদা বেগম ( সাং- ছালেকের কাটা, ৮নং ওয়ার্ড শাখলাপুর ইউপি থানা-মহেশখালী, জেলা-ককুবাজার। আসামীগনের নাম ও ঠিকানা – “ফৌজদারী দরখাস্ত দমন ট্রাইব্যুনাল নং-২, ককসবাজার। সুত্র: সি.পি মামল ), পিতা- মোহাম্মদ বেলাল, স্বামী- শাহাব উদ্দিন ১। লোকমান ( ), পিতা- সুলতান আহমদ সাং- আশ্যিা পাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, ছোট মহেশখালী ইউপি থানা- মহেশখালী, জেলা-কক্সবাজার। ২। রশিদ উদ্দিন আহমদ, পিতা- মৃত সুলতান আহমদ সাং- লাইট হাউজ, কক্সবাজার পৌরসভা থানা ও জেলা-কক্সবাজার। ৩। নুর উদ্দীন, পিতা- সোলতান আহমদ সাং- আশিঙ্গ্যা পাড়া, ৬নং ওয়ার্ড, ছোট মহেশখালী ইউপি থানা- মহেশখালী, জেলা- কক্সবাজার। স্বাক্ষীগণের নাম ও ঠিকানা : ১২। মোঃ হিন্দু মিয়া, পিতা- মোকড়ার আহমদ ৩। অলি বকসু, পিতা- মিয়া হোসেন। ৪। মোঃ গিয়াস উদ্দিন, পিতা- মিয়া হোসেন ৫। মোঃ এনাম, পিতা- মৃত আবদু শুক্কুর সর্বসাং- স্থাদেকের কাটা, শাপলাপুর ইউপি) থানা- মহেশখালী, জেলা- কক্সবাজার। ঘটনার তারিখ ও সময়ঃ ০১/০৩/২০২২ইং রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকা। ঘটনাস্থল ঃ বাদীনির বসতবাড়ী। ধারাঃ নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইন ২০০০ (সংশোধিত ২০০৩) এর ৯ (৪) এর (খ)/৩০ তৎসহ দঃবিঃ৩২৩/৩২৪/৩২৫/৩০৭/৫০৬(২) দঃ বিঃ সবিনয় নিবেদন এই যে, অধীন বাদীনি একজন অতিশয় দরিদ্র, অসহায় ও নির্যাতিতা মহিলা হই পক্ষান্তরে আসামীগন দুর্দান্ত লম্পট, ধর্ষক, নারীলোভী, সহযোগী, সন্ত্রাসী মাস্তান এবং আইন অমান্যকারী প্রকৃতির লোক হয়। তাহারা দেশের প্রচলিত আইন কানুন কিছুই মানে না। অধীনের স্বামী পেশায় একজন পান ব্যবসায়ী হন। তিনি ব্যবসা উপলক্ষে

রিয়া দেন। শ্রুতিতে আগামী হইয়া অধীনকে দেখিয়া নিবে মর্মে হুমকি দমকি প্রদর্শন করিয়া আসিতেছিল। ঘটনার দিন বিগত ০১/০৩/২০১২ইং তারিখ রাত অনুমান ১০.০০ ঘটিকার সময় অধীনের স্বামীর অনুপস্থিতিতে ১ ও ২নং আসামী চুপিসারে অধীনের বসতবাড়ীতে ঢুকিয়া পড়ে। ১নং আসামী অধীনকে শয়ন কক্ষে দেখা মাত্রই ঝাপটাইয়া ধরিয়া মাটিতে ফেলিয়া দেয়। এই সময় ২নং আসামী ধারালো ছোরা প্রদর্শন করতঃ হত্যার হুমকি দিয়া চুপ থাকিতে বলিয়া পাহারায় থাকে। অতঃপর ১নং আসামী অধীনের পরনের কাপড় চোপড় টানা হেচঁড়া করত: ছিড়িয়া অধীনের স্পর্শকাতর স্থানে হাত দিয়া যৌন হয়রানী করিতে করিতে জোর পূর্বক ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা করে। এই সময় ২নং আসামী অধীনের কক্ষে প্রবেশ করিয়া অধীনকে চাপিয়া ধরিয়া অধীনের বুকে সজোরে খামচি মারে এবং অধীনের যৌনীতে হাত দেয়। অধীন ইজ্জত আব্রু রক্ষার্থে প্রাণপণ চেষ্টায় শোর চিৎকার করিতে থাকিলে আশেপাশের লোকজন ও স্বাক্ষীগন আগাইয়া আসিয়া ১নং আসামীকে হাতে নাতে ধৃত করিয়া আটকাইয়া রাখে। ২নং আসামী পালাইয়া যাইতে সক্ষম হয়। অধীন ১নং আসামীর সহিত ধস্তাধস্তিতে তলপেটে, বুকে ও মুখে জখম প্রাপ্ত হই। ২নং আসামীর নিকট হইতে ১নং আসামীকে আটকাইয়া রাখার খবর পাইয়া ২/৩নং আসামী তেলে বেগুনে জ্বলিয়া উঠিয়া হাতে ধারালো দা ও লোহার রডসহ অধীনের বাড়ীতে আসিয়া অশ্লীল অশ্রাব্য ভাষায় গালিগালাজ করে। এক পর্যায়ে ২নং আসামী তাহার হাতে থাকা লোহার রড দ্বারা অধীনের বাম বাহুতে সজোরে বারি মারিয়া গুরুতর হাঁড়ভাঙ্গা জখম করে। ৩নং আসামী অধীনকে হত্যার উদ্দেশ্যে তলপেটে সজোরে লাথি মারিয়া জখম করে। অত:পর আসামীগন স্বাক্ষীগনকে হুমকি ধমকি প্রদর্শন করত: ১নং আসামীকে ছাড়াইয়া নিয়া দ্রুত ঘটনাস্থল ত্যাগ করে। স্বাক্ষীগন অধীনকে উদ্ধার করিয়া চিকিৎসার জন্য মহেশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়া আসেন। সে ব্যবস্থাপত্র প্রদান করেন। যাহা

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট