1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২, ০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন

এখন মদ বিক্রি বেড়েছে ৫০ শতাংশের বেশি, কেরু উৎপাদন বাড়াবে দ্বিগুণ

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২
  • ৮৬ বার পড়া হয়েছে

ডেস্ক নিউজঃএকমাত্র রাষ্ট্রীয় মদ উৎপাদন ও বাজারজাতকরণ প্রতিষ্ঠান কেরু অ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড জানিয়েছে, আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় সদ্য সমাপ্ত বছরের অক্টোবর-ডিসেম্বরে তাদের উৎপাদিত মদের বিক্রি বেড়েছে ৫০ শতাংশেরও বেশি।

বর্ধিত চাহিদা মেটাতে তাই মদ উৎপাদনে স্বয়ংক্রিয় পদ্ধতি অবলম্বন করা হবে। আর এর মাধ্যমে উৎপাদন দ্বিগুণ করার পরিকল্পনা হাতে নেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে বাজার সম্প্রসারণের লক্ষ্যে আরো বিক্রয় কেন্দ্র ও ওয়্যারহাউস নির্মাণের পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়েছে।

কোম্পানি সূত্রে জানা যায়, গেল অক্টোবরে ১৮ হাজার ৫৭৯, নভেম্বরে ১৯ হাজার ৪৪৬ এবং ডিসেম্বর মাসে ২১ হাজার কেসেরও বেশি মদ বিক্রি হয়েছে। দেশের একমাত্র রাষ্ট্রীয় মদ উৎপাদনকারী এ প্রতিষ্ঠানটি তিন ধরনের অর্থাৎ ১৭৫ মিলিলিটার, ৩৭৫ মিলিলিটার এবং ৭৫০ মিলিলিটারের বোতলে মদ বাজারজাত করে থাকে। ৭৫০ মিলিলিটারের ক্ষেত্রে একটি কেসে ১২টি, ৩৭৫ মিলিলিটারের ক্ষেত্রে ২৪টি এবং ১৭৫ মিলিলিটারের ক্ষেত্রে প্রতি কেসে ৪৮টি মদের বোতল থাকে।


সূত্র বলছে, উৎপাদিত মদের প্রতি মাসে গড়ে ১২ থেকে ১৩ হাজার কেস বিক্রি করে থাকে কেরু অ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের। চাহিদা অনুযায়ী উৎপাদনও করা হয়। প্রতিষ্ঠানটি ২০২০-২১ অর্থবছরে মদ বিক্রি থেকে লাভ করেছে ১৯৫ কোটি টাকা।

এ বিষয়ে কোম্পানিটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক মোশাররফ হোসেন জাতীয় দৈনিক ডেইলি স্টারকে জানান, উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় করার উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। এ লক্ষ্যে ১০২ কোটি ২১ লাখ টাকার একটি প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। প্রকল্পটি চলতি ২০২২ সালেই শেষ হবে। এটি সম্পন্ন হলে সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয়ভাবে মদ উৎপাদন করা হবে।

তিনি আরো জানান, এ ছাড়া কেরু অ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেড দেশের রূপপুর, কুয়াকাটা ও কক্সবাজারে একটি করে বিক্রয় কেন্দ্র করার পরিকল্পনা করেছে। একই সঙ্গে রাজশাহী ও রামুতে একটি করে ওয়্যারহাউস নির্মাণ করা হবে। এগুলো হলে বাজার আরো সম্প্রসারিত হবে। বর্তমানে সারাদেশে কোম্পানিটির ১৩টি ওয়্যারহাউস এবং ৩টি বিক্রয় কেন্দ্র রয়েছে।

প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর ইতোমধ্যে কেরুকে দুটি নতুন বিক্রয় কেন্দ্রের অনুমোদন দিয়েছে। বিক্রয় কেন্দ্রগুলো পরিচালনা করার জন্য কোম্পানিটি সরকারের পর্যটন করপোরেশনের সঙ্গে একটি সমঝোতা স্মারক, এমওইউ, সই করবে।
চুয়াডাঙ্গার দর্শনায় অবস্থিত কেরু অ্যান্ড কোম্পানি বাংলাদেশ লিমিটেডের কারখানা। এর যে উৎপাদন সক্ষমতা, বর্তমানে তার মাত্র ৫০ শতাংশ ব্যবহৃত হচ্ছে। মদের পাশাপাশি হ্যান্ড স্যানিটাইজার, সার, চিনি, ভিনেগার, গুড় ও অন্যান্য পণ্য উৎপাদন করে থাকে কেরু।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট