1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৬:২৫ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএসএনপিএস কমিটি গঠন:সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক সাধারণ সম্পাদক শামছুল আলম রামগড়ে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে উন্নয়ন মাইলফলক। এফবিজেও’র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৪ঠা ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ সফল করতে নগরীর চান্দগাঁও কাপ্তাই রাস্তার মাথায় প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ। নওগাঁ জেলায় প্রথম স্থানীয় প্রবীণ এবং উদীয়মান শিল্পীগন দের টেলিফিল্ম। চট্টগ্রাম চান্দগাঁও থানাধীন শুকতারা পত্রিকার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন। কক্সবাজার রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির দায়িত্বে চেয়ারম্যান মার্শাল ও এড. অপু স্মরনকালের সেরা জনসমুদ্রে রুপ নিবে চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ- হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর। ফখরুজ্জামান চট্টগ্রামের নতুন জেলা প্রশাসক

সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সানির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ!

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: রবিবার, ২০ মার্চ, ২০২২
  • ৮৭ বার পড়া হয়েছে

সাংবাদিক পরিচয়দানকারী সানির বিরুদ্ধে চাঁদাবাজির অভিযোগ!

রায়হান হোসাইন, বিভাগীয় প্রতিনিধিঃ-

ঘটনায় প্রকাশ প্রতি বছরের ন্যায় এবারও সোচ্চার সানির নেতৃত্বে কিছু ভূয়া সাংবাদিক। তাদেরকে বিভিন্ন আন্ডার গ্রাউন্ডের পত্রিকা থেকে কার্ড বানিয়ে দিয়ে তাদের মাধ্যমে চাঁদাবাজি থেকে শুরু করে নানা ধরনের অবৈধ কাজ কর্ম করায়। এমনকি মাদক ব্যবসার সাথে সরাসরি জড়িত।সানি হিসেবে যাকে সবাই চেনে তার নাম আসলে সানি নয়,সানি হলো তার ছদ্ম নাম।তার ডাক নাম হলো শামীম। শামীম থেকেই খোলশ পাল্টে নাম হয়ে যায় সানি। এই সানি অনেক মামলার আসামি,কোন রকমে এসএসসি পাশ করেছে,অথচ নিজেকে কখনো পুলিশ অফিসার আবার কখনো সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দিয়ে বেড়ায়। যাত্রাবাড়ী আসে পাশের এলাকায় বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজি করে কোনরকম দিন পার করে।
অথচ সানির অন্যান্য ভাইয়েরা ভদ্র মার্জিত ও সুনামের সাথে চলা ফেরা করে।তার ছোট ভাই একজন নামকরা ছাত্রনেতা। আগামীতে ঢাকা ০৫ আসনের নেতৃত্ব দিবে। তাদের সন্মান পর্যন্ত ধূলোয় মিশিয়ে দিলো এই সানি। তাদের পরিবারে কেউ তাকে সমর্থন করে না কারণ,তার কার্যকলাপ সন্ত্রাসীদের মতো।এই তো সেদিন যাত্রাবাড়ীতে বিশ্ব মানচিত্রের সাংবাদিক রানাকে সন্ত্রাসী বাহিনী নিয়ে আটক করে মেরে ফেলতে চেয়েছিল, পথচারীদের হস্তক্ষেপে বেঁচে গেল বিশ্ব মানচিত্রের সাংবাদিক রানা।
গতবছর তার গ্রুপের লোকজন দিয়ে জাটকা ব্যবসায়ীদের মাছ লুটপাট করিয়েছে অথচ মামলা দায়ের করলো সাংবাদিকদের নামে। এবারও একই রাস্তায় হাঁটছেন এই চাঁদাবাজ সানি। নিজেকে যখন সাংবাদিক হিসেবে পরিচয় দেয় তখন তার কোন আইডি কার্ড দেখাতে পারেনা। ইদানিং নামসর্বস্ব এক পত্রিকা থেকে কার্ড বানিয়ে নিয়ে ধরাকে সরা জ্ঞান করতেছে।যখন কোন অপকর্ম করতে গিয়ে ধরা খায় তখন অন্যান্য সাংবাদিকদের নাম বিক্রি করে।সত্যকে মিথ্যা বানিয়ে ফাঁসাতে চেষ্টা করে। সবাইকে বলে বেড়ায় সে নাকি একসময় পুলিশ কর্মকর্তা ছিল, পুলিশের চাকরি ছেড়ে দিয়ে সাংবাদিকতা শুরু করেছে।

কে এই সানি? কি তার পরিচয়??—–

তার ব্যাপারে খোঁজ নিয়ে জানতে পারি,তার নাম আহমেদুন্নবী শামীম।ডাক নাম শামীম।এই শামীম থেকেই সানি।তার বাবা একজন স্বনামধন্য এডভোকেট ছিলেন,তার মা ছিলেন সরকারি স্কুলের একজন স্বনামধন্য শিক্ষিকা।তারা ছয় ভাই,সবাই প্রতিষ্ঠিত। কিন্তু এই শামীম ওরফে সানি ছোট বেলা থেকেই ছিল বদমাইশ ও খারাপ চরিত্রের।তার মতিগতি ভালো ছিল না বিধায় তার মা বাবা খুব অল্প বয়সে তাকে বিয়ে করিয়ে দেয়।তার সাথে কিছুদিন ভালো ভাবে সংসার করলেও নজর পড়ে তার পাশের বাসার অন্য মেয়ের দিকে পরিশেষে প্রেমের ফাঁদে ফেলে তাকেও বিয়ে করে।তার চরিত্রের অধঃপতন দেখে তার মা বাবা তাকে দেশের বাইরে পাঠিয়ে দেয় অর্থাৎ সৌদি আরবে পাঠিয়ে দেয়।সেখানেও অপরাধে জড়িয়ে পড়ে, কথায় আছে কুকুরের লেজ কখনো সোজা হওয়ার নয়।তার বেলায়ও সে রকম। পরিশেষে আবার দেশে এসে শুরু করে প্রতারণার ব্যবসা।
ইঁদুরের ঔষধ থেকে শুরু করে নকল কসমেটিক বিভিন্ন দোকানে অরিজিনাল বলে সাপ্লাই দিতো, একদিন ধরা পড়ে পাবলিকের পেদানি খেয়ে কিছুদিন নিশ্চুপ ছিল। তারপর কোন এক সাংবাদিকের সাথে পরিচয় হওয়ার পর এই সাংবাদিকতা পেশায় যোগ দেয়।এই পেশায় যোগ দেয়ার পর পেছন ফিরে তাকাতে হয়নি বিভিন্ন ধরনের চাঁদাবাজি ও থানার দালালি করে কোন রকমে চলতে পারে।বছরে দুই মাস চলে জাটকা ব্যবসা।
এই জাটকা ব্যবসাকে ঘিরে তার প্রতিদিন চাঁদরাত।
প্রত্যেক ব্যবসায়ী থেকে মোটা অংকের চাঁদা দাবি করে এই সানি।কেউ টাকা বা চাঁদা দিতে অস্বীকার করলে তাকে বিভিন্ন সন্ত্রাসী দিয়ে তাদের গাড়ি লুটপাট করাত।গত বছর ঠিক এই কাজটিই করেছে এই সানি।অথচ আমরা যারা নিরীহ ছিলাম আমাদের নামেও মামলাটি দায়ের করা হয়।
না খেয়ে,না ধরে আমরা হলাম আসামি। আজকেও আমাকে হুমকি দিয়ে বলে,”যে কোন সময় আমার বড় ধরনের ক্ষতি করবে”, লোকজন দিয়ে আমাকে প্রাণে মেরে ফেলতে না পারলেও সারাজীবনের জন্য পঙ্গু করে দিবে।
তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছি।
তাই আজ লিখতে বসেছি, এবারও তার নেতৃত্বে কিছু নামধারী সাংবাদিক আবারো সোচ্চার।তার সাঙ্গপাঙ্গরা হলো জাকির,হানিফ, তৌহিদ নাম না জানা অনেকেই। এব্যাপারে সংশ্লিষ্ট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার কাছে বিনীত অনুরোধ যাত্রাবাড়ীতে যারা সাংবাদিকদের নাম দিয়ে চাঁদাবাজিতে লিপ্ত তাদেরকে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার জন্য।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট