1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
সোমবার, ২৮ নভেম্বর ২০২২, ০৫:৩৩ অপরাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
বিএসএনপিএস কমিটি গঠন:সভাপতি আবু বকর সিদ্দিক সাধারণ সম্পাদক শামছুল আলম রামগড়ে বিজিবির ফ্রি মেডিকেল ক্যাম্প জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বাংলাদেশ বিশ্ব দরবারে উন্নয়ন মাইলফলক। এফবিজেও’র বার্ষিক সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত মাননীয় প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার ৪ঠা ডিসেম্বরের মহাসমাবেশ সফল করতে নগরীর চান্দগাঁও কাপ্তাই রাস্তার মাথায় প্রচারণা ও লিফলেট বিতরণ। নওগাঁ জেলায় প্রথম স্থানীয় প্রবীণ এবং উদীয়মান শিল্পীগন দের টেলিফিল্ম। চট্টগ্রাম চান্দগাঁও থানাধীন শুকতারা পত্রিকার দ্বিতীয় বর্ষপূর্তি উদযাপন। কক্সবাজার রেডক্রিসেন্ট সোসাইটির দায়িত্বে চেয়ারম্যান মার্শাল ও এড. অপু স্মরনকালের সেরা জনসমুদ্রে রুপ নিবে চট্টগ্রামের মহাসমাবেশ- হেলাল আকবর চৌধুরী বাবর। ফখরুজ্জামান চট্টগ্রামের নতুন জেলা প্রশাসক

সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের উপর হামলা নওগাঁর হাসাঁগাড়ীতে ভূমিদস্যুদের কবলে বিধবার পরিবার

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২২
  • ৩০ বার পড়া হয়েছে

সংবাদ সংগ্রহ করতে গেলে সাংবাদিকদের উপর হামলা
নওগাঁর হাসাঁগাড়ীতে ভূমিদস্যুদের কবলে বিধবার পরিবার

এ.বি.এম.হাবিব-
নওগাঁ সদর উপজেলার হাঁসাইগাড়ী ইউনিয়নে ভুতুলিয়া উত্তর দহপাড়া গ্রামে এক অসহায় বিধবাসহ তার পরিবারকে মারপিট ও জখম করে, ঘর-বাড়ী ভেঙে তছনছ করে বাড়ীর সকল কিছু চুরি করে নিয়ে যায় ভুমিদস্যুরা। সেই বিধবার ঘর-বাড়ী দখলের চেষ্টাও করছে এই ভূমিদস্যুর দল।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, আব্দুল সরদার তার বাপ-দাদার সম্পত্তি বা বাড়ী-ভিটায় জন্মের পর থেকে বসবাস করে আসছে এবং প্রথম স্ত্রী একটি ছেলে সন্তান রেখে সে মারা গেলে, ২য় বিয়ে করে স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে সেখানেই বসবাস করে। সে প্রায় ৬০/৬৫ বছর বয়সে মারা গেলে,রেখে যায় স্ত্রী ও ৩কন্যা সন্তান। বিধবা জামেনা সেই বাড়ী-ভিটায় থেকে ৩কন্যা সন্তানকে বিয়ে দেয়। তার ছেলে সন্তান না থাকায় প্রথম কন্যা ও তার স্বামীকে ঘরজামাই রাখে। স্বামী বেঁচে থাকাকালীন সময় ভালোই ছিলো তার পরিবার। বিধবার স্বামী মারা যাওয়ার পরই কিছু ভুমিদস্যুদের কুনজর পরে তার বাড়ী-ঘর। বিধবার পরিবারকে উৎখাত করার পাঁয়তারা করতে লাগে তারা এবং বিভিন্ন ধরনের ভূয়া দলিল বের করে গ্রাস করতে চায় বিধবার শেষ সম্বল টুকু। সেই লক্ষে অসহায় বিধবাকে বিভিন্ন সময়, বিভিন্ন ধরনের অত্যাচার নির্যাতন শুরু করে তারা। এ নিয়ে অসহায় বিধবা স্থানীয় ইউ’পি চেয়ারম্যানের স্বরণাপন্ন হলে, চেয়ারম্যান অসহায় বিধবার সাথে বিবাদ করতে নিষেধও করেছেন একাধিক বার। কিন্তু কে শোনে কার কথা। ভুমিদস্যুরা এতোটাই বেপরোয়া যে,তারা আইন-কানুনকে কোন প্রকার তোয়াক্কায় করে না বলে স্থানীয় বাসীরা জানায়। তাদের বিরুদ্ধে বহু মারা-মারী,কাটা-কাটি, ফাটা-ফাটির মামলা চলছে কিন্ত তারা মামলা-মকদ্দমাকে কিছু মনেই করে না। স্থানীয়বাসীরা জানায়,তাদের একজন আত্নীয় আছে ম্যাজিষ্ট্রেট,ভূমিদস্যুরা মানুষদেরকে কাটা-কাটি, ফাটা-ফাটি করলেও, সেই ম্যাজিষ্ট্রেটের সুপারিশে খুব সহজেই জামিন পেয়ে যায় বলেও এলাকাবাসী জানায়। তাই এলাকার লোকজন তাদের বেপোরোয়া মারা-মারী,জবর-দখলে কোন প্রকার সাক্ষি বা কথা বলতে সাহস পায় না। সেই ম্যাজিষ্ট্রেট বর্তমানে কোন জেলায় আছে এখনো তা জানা যায় নাই।

গত (১৮ অক্টোবর) মঙ্গলবার ভুমিদস্যুরা পুর্ব পরিকল্পিত ভাবে দেশীয় অস্ত্র-সস্ত্রে সজ্জিত হয়ে আনুমানিক বৈকাল ৫টার সময় আসামি ১) মোঃ সামাদ সরদার (৫৪) ২) মোঃ আঃ ছাত্তার (৪৭) ৩) মোঃ আতাব (৩৮) ৪। মোঃ জয়েন উদ্দীন (৫৮) ৫। মোঃ আলম সরদার (৩৬) ৬। নাছের সরদার (৬৫) ৭। মোঃ রফিকুল সরদার (৪৬) ৮। মোঃ রকিম (৪২) ৯। মোঃ আতোয়ার (৩৬) ৯। মোছাঃ রহিমা (৪০) ১০। মোছাঃ রোজিনা (৩৯) ১১। মোছাঃ রিমা (২৫)সহ অজ্ঞাত কয়েকজন মিলে বিধবা জামেনার বাড়ীতে আক্রমণ করে বাড়ী-ঘর ভেঙ্গে তছনছ করতে লাগে। অসহায় বিধবা বাঁধা দিতে গেলে তাকেও ভুমিদস্যুরা এলোপাতাড়ি ভাবে মারপিট করতে শুরু করে। তার ডাকচিৎকারে মেয়ে ও নাতনি এগিয়ে এলে তাদেরকেও সমস্ত শরীর এলোপাতাড়ি ভাবে মারপি করে অজ্ঞান করে। বিধবার বাড়ী-ভিটা সমস্ত ভেঙে চুড়ে সমান করে, বাড়ীতে থাকা গরু,ছাগল,চার্জার ভ্যান সহ সব কিছু ভুমিদস্যুরা নিয়ে যায়। পরবর্তীতে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নওগাঁ সদর হাঁসপাতালে ভর্তি করেন। খবর ও অভিযোগ পেয়ে দৈনিক সাধীন সংবাদ, জাতীয় দৈনক সরেজমিন বার্তা ও দ্যা ডেইলি সিটিজেন টাইমস পত্রিকার সাংবাদিক এ.বি.এম.হাবিবুর রহমান হাবিব ও দৈনিক স্বদেশ বিচিত্রা পত্রিকার সাংবাদিক রেজাউল করিম রাকিব সেখানে সংবাদ সংগ্রহের জন্য গিয়ে, আসামীদের বাড়ীতে চার্জার ভ্যান,গরু,ছাগল দেখে তার ভিডিও করে, ভাঙ্গা বাড়ী-ঘরের ভিডিও করতে লাগলে ভুমিদস্যুরা হঠাৎ করে সাংবাদিকদের উপর হামলা চালিয়ে, মার-পিট করে ভিডিও ক্যামেরা কেড়ে নিয়ে ভেঙ্গে ফেলে দেয়। সাথে থাকা আরেক সাংবাদিকের কাছ থেকে ক্যামেরা স্টান ও স্মার্টফোন কেড়ে নিয়ে দুই সাংবাদিককে এলোপাতাড়ি ভাবে মার-পিট ও নির্যাতন করতে শুরু করে। সেখান থেকে নওগাঁ সদর থানার ওসি সাহেবের কাছে ফোন করে সহযোগিতা চাইলে তিনি সেখানে পুলিশ পাঠিয়ে দেন। পুলিশ পৌঁছার আগেই ভূমিদস্যুরা সেখান থেকে পালিয়ে যায়। এরপর স্থানীয়দের সহযোগিতায় সাংবাদিকেরা নওগাঁ সদর হাঁসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে নওগাঁ সদর মডেল থানায় ৪জন নামীয় ও অজ্ঞাত ১০/১২জনকে আসামি করে একটি মামলা দায়ের করেন। বর্তমান আসামীরা পলাতক রয়েছে।

অসহায় বিধবা ও সাংবাদিকেরা এর সুষ্ঠু ও সঠিক বিচারের দাবী জানান।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট