1. multicare.net@gmail.com : সময়ের পথ :
বুধবার, ০৭ ডিসেম্বর ২০২২, ০৯:০৮ পূর্বাহ্ন
ব্রেকিং নিউজ :
জাতীয় শিক্ষা সপ্তাহ আবৃত্তি প্রতিযোগীতায় প্রথম স্থান লাভ করেন জান্নাতুল মাওয়া। নওগাঁর মান্দায় ফকিন্নী নদী পুনঃখনন কাজের উদ্বোধন বগুড়া শান্তাহারে মানবিক সাহায্য সংস্থা নামের এনজিও কিস্তি না পেয়ে,মাথা ফাটিয়ে ক্যাসবক্স থেকে টাকা ছিনতাই মাকে হত্যা করে ফাঁসির নাটক সাজানোর অভিযোগ ছেলের বিরুদ্ধে নড়াগাতী থানা আওয়ামীলীগের স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক হলেন মোঃ হাফিজুর রহমান বিপ্লব! চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের মোহাম্মদ মমিনুর রহমান এর সঙ্গে সার্ক মানবাধিকার সংগঠন এর নেতৃবৃন্দর সাক্ষাৎ। বাবর কে ফুলেল শুভেচ্ছা জানান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহ-সম্পাদক আইয়ুব খান রাব্বী। “২৯ উন্নয়ন প্রকল্পের উদ্বোধন ” পলোগ্রাউন্ডে আঃমীলীগের জনসভায় জনতার ঢল উন্নত-সমৃদ্ধ দেশ গড়ে তুলতে চাই-প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা

ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঘুমের ঘোরে শিক্ষক।

প্রতিবেদকের নাম:
  • প্রকাশিত: শনিবার, ১৫ জানুয়ারী, ২০২২
  • ১৯৬ বার পড়া হয়েছে

ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ঘুমের ঘোরে শিক্ষক।

-এ ঘটনা এক দিনের নয়, প্রায় প্রতিদিনের বললেন সহকারী শিক্ষক।

এস এম সাজু, লালমনিরহাট প্রতিনিধি

লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা বড়খাতার পূর্ব দোলাপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছামছুন্নাহার বেগম নামে এক শিক্ষকের বিরুদ্ধে ক্লাস ফাঁকি ক্লাসরুম ও শিক্ষক কমনরুমে ঘুম পাড়ার অভিযোগ উঠেছে ।

তিনি প্রায়দিন ক্লাস ফাঁকি দিয়ে ক্লাসে ও শিক্ষক কমন রুমে ঘুমিয়ে পড়েন । আর সেই শিক্ষকের অপেক্ষায় বসে থাকে তার শিক্ষার্থীরা।
অফিস কক্ষে এভাবেই কেটে যাচ্ছে স্কুলের পুরো সময়। অবশেষে শিক্ষার্থীরা পাঠ গ্রহণ না করেই বাড়ি ফিরে। এই ঘটনা এক দিনের নয়, প্রায় প্রতিদিনের।

তার ক্লাসের সময় শিক্ষার্থীরা কেউ খেলছে, আবার কেউ শিক্ষকের অপেক্ষায় ক্লাসে বসে আছে। অলস সময় কাটিয়ে বাড়ি ফিরে তার ক্লাসের শিক্ষার্থীরা

স্কুলের শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় ১৯০ জন। প্রধান শিক্ষকসহ স্কুলের শিক্ষকের সংখ্যা পাঁচজন। তাদের মধ্যে পাঁচজনই আছেন। এতে অন্য শিক্ষকরা নিয়মিত ক্লাস করলেও তিনি প্রায় সময়ই ঘুমিয়ে পরেন, বললেন প্রধান শিক্ষকসহ অন্য শিক্ষকরা। এ নিয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার জনাব একেএম তাজিবর রহমানকে অভিযোগ দিলেও উৎকোচের বিনিময়ে আর কোন ব্যবস্থা নেন না ওই বিষয়ে।

সহকারী শিক্ষক শিরিন আক্তার তার অভিযোগে জানায়, গত ২৭ নভেম্বর ওই স্কুলের এক সহকারী শিক্ষকের ৩ বছরের সন্তানকে চেয়ারে বসে থাকা অবস্থায় বারান্দা হতে লাথি মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। এ সময় ওই শিশুর মা (সহকারী শিক্ষক) এগিয়ে এসে শিশুটিকে তুলতে গেলে অভিযুক্ত শিক্ষক তেড়ে আসেন মারার জন্য। এ ঘটনা এক দিনের নয়, প্রায় প্রতিদিনের।

এ বিষয়ে আমি সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে অবহিত করি কিন্তু তিনি এসে তার বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থা না নিয়ে উন্নত চিকিৎসার জন্য ১ মাসের মৌখিক ছুটি দেন। কিন্তু অভিযুক্ত শিক্ষক ছামছুন্নাহার বেগম মাত্র ১৭ দিনের ছুটি ভোগ করেই বিদ্যালয়ে যোগদান করতে আসলে তখন প্রধান শিক্ষক জনাব মিজানুর রহনান ছামছুন্নাহারের যোগদানের বিষয়ে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার তাজিবুর রহমানকে অবহিত করেন।

তখন সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার তাজিবুর রহমান ছামছুন্নাহার বেগমকে যোগদান করে নিতে প্রধান শিক্ষককে বাধ্য করান।

অভিযোগে আরও বলা হয় উক্ত সহকারী শিক্ষক ছামছুন্নাহার বেগম একজন অসুস্থ রোগী। তিনি প্রায় সময় স্কুলের শ্রেণি কক্ষে ক্লাস বাদ দিয়ে ঘুমান, অফিস কক্ষে তার অস্বাভাবিক আচরণে শিক্ষকরা ভীতসন্ত্রস্ত এবং অনিরাপদ। যখন তখন শিক্ষার্থীদের মারমূখী আচরণ করেন এবং প্রায় শিক্ষার্থীদের শারীরিকভাবে নির্যাতন করেন বলেও জানান।

পরবর্তীতে তার আচরণ আরও খারাপ হওয়ায় গত ২৯ ডিসেম্বর স্কুলের ৩ জন শিক্ষক জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বরাবর ৩ টি অভিযোগ দায়ের করার পরও গত বৃহস্পতিবার অভিযুক্ত ওই শিক্ষক আবারও ১ম শ্রেণির ২জন শিক্ষার্থী মোহাম্মদ আলী এবং আফরোজা আক্তারকে পিটিয়ে আহত করেন।

এ বিষয়ে প্রধান শিক্ষক মোঃ মিজানুর রহমান জানান, বিষয়টি বহুদিন থেকে সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসারকে জানাই কিন্তু তিনি কোন ব্যবস্থা নেননি। ওই শিক্ষক প্রায় সময় স্কুলে এসে ঘুমিয়ে পড়েন। তিনি আমার কথাও শোনেন না এবং নিজের ইচ্ছায় স্কুল ছুটির আগে বাড়িতে চলে যান। প্রায় সময় ছাত্রছাত্রীদের সাথে খারাপ আচরণ করেন।

অভিযোগের বিষযটি তদন্তের জন্য মোঃ জাকির হোসেন (ভারপ্রাপ্ত) উপজেলা শিক্ষা অফিসার হাতীবান্ধাকে জানানো হয় ।

এ বিষয়ে জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার বলেন, আমি ঘটনাটি শুনেছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

সংবাদটি শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরো সংবাদ পড়ুন

আরো লেখাসমূহ

© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত
প্রযুক্তি সহায়তায় ইয়োলো হোস্ট